দুর্গাপুজোয় ১ লক্ষ টাকা সহায়তা, এবার আবেদন করলেই মিলবে সরকারি অনুদান

সম্পাদনা সংক্রান্ত ঘোষণা: West Bengal Times প্রকাশের আগে সরকারি ওয়েবসাইট, সরকারি বিজ্ঞপ্তি এবং নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে। পাঠকদের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে আমাদের টিম স্বাধীন গবেষণা ও বিশ্লেষণও করে থাকে। তবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের চূড়ান্ত নিশ্চিতকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে পুনরায় যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

WhatsApp Group
Join Now

WB Durga Puja Grant Rs 1 Lakh: দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী | পুজো কমিটিগুলিকে সরকারি আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে এবারও এক লক্ষ টাকা করে অনুদানের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। তবে এই অনুদান নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। যে পুজো কমিটি সরকারি সাহায্য নিতে চাইবে, শুধুমাত্র তাদেরই আবেদন করতে হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, আর্থিকভাবে সক্ষম এবং বড় বাজেটের পুজো কমিটিগুলিকে সরকারি অনুদান না নেওয়ার জন্য তিনি আবেদন জানাবেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন, কাউকে জোর করে সরকারি সাহায্য নিতে বা না নিতে বাধ্য করা হবে না। সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণভাবে পুজো কমিটির উপরই থাকবে।

WB Durga Puja Grant: অনুদান নেওয়া হবে সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক

এবারের ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হল, সরকারি অনুদানকে সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক রাখা হচ্ছে। অর্থাৎ কোনও পুজো কমিটি অনুদান নিতে না চাইলে তাদের আলাদা করে আবেদন করার প্রয়োজন নেই।

Google
Add West Bengal Times যুক্ত করুন গুগল-এ পছন্দের উৎস হিসেবে
Add Preference

অন্যদিকে, যেসব পুজো কমিটির কাছে এক লক্ষ টাকার সরকারি সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ এবং এই সাহায্য ছাড়া পুজোর আয়োজন করা কঠিন, তারা আবেদন করতে পারবে। প্রশাসনিক যাচাইয়ের পর যোগ্য কমিটিগুলিকে সরকারি অর্থ দেওয়া হবে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি অনুদান না নিলে কোনও পুজো কমিটিকে বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে যুক্ত করা উচিত নয়। তাঁর বক্তব্যের মূল লক্ষ্য, সরকারি সাহায্যকে রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে না জড়িয়ে একটি স্বেচ্ছাভিত্তিক ব্যবস্থা হিসেবে রাখা।

কীভাবে হবে আবেদন যাচাই?

সরকারি সাহায্য নিতে ইচ্ছুক পুজো কমিটিগুলিকে স্থানীয় থানার মাধ্যমে আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হবে। প্রথমে থানার স্তরে আবেদনগুলি যাচাই করা হবে।

এরপর সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক প্রক্রিয়া মেনে তালিকা উচ্চতর পর্যায়ে পাঠানো হবে। থানা থেকে তালিকা যাবে এসপি বা পুলিশ কমিশনারের মাধ্যমে ডিজিপির কাছে। সেখান থেকে তা মুখ্যসচিবের দফতরে পৌঁছবে এবং পরে অর্থ দফতরের মাধ্যমে অনুদান দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

লক্ষ্য হল, দুর্গাপুজোর মূল উৎসব শুরু হওয়ার আগেই যোগ্য পুজো কমিটিগুলির হাতে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।

আরও পড়ুন: শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করতে স্ত্রীকে বাধ্য করা যাবে না, বাড়ির কাজ নিয়েও বড় বার্তা হাইকোর্টের

WB Durga Puja Grant: বিদ্যুৎ লাইসেন্স ফিতেও ছাড়

শুধু এক লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদানই নয়, পুজো কমিটিগুলির জন্য আরও কিছু সরকারি সুবিধার কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পুজোর ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সংক্রান্ত ছাড় এবং লাইসেন্স ফি না নেওয়ার ব্যবস্থাও থাকবে।

ফলে পুজো কমিটিগুলির উৎসব আয়োজনের মোট খরচ কিছুটা কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।

পুজোর নিরাপত্তায় যাঁরা কাজ করবেন, তাঁদের জন্যও ছুটি

দুর্গাপুজোর সময়ে সাধারণ মানুষ যখন উৎসবে ব্যস্ত থাকবেন, তখন পুলিশ, দমকল, স্বাস্থ্য, পরিবহণ, পুরসভা ও কর্পোরেশন, সিভিল ডিফেন্স এবং কর্মবন্ধু-সহ বিভিন্ন সরকারি কর্মী পরিষেবা সচল রাখতে দায়িত্ব পালন করবেন।

মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেছেন। পুজোর সমস্ত কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর এই কর্মীদের জন্য সবেতন দুদিনের ছুটির ব্যবস্থা করার দায়িত্ব মুখ্যসচিবকে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

চাপিয়ে দেওয়া নয়, সিদ্ধান্ত পুজো কমিটির’

এবারের ঘোষণায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে ‘অপশনাল’ বা ঐচ্ছিক ব্যবস্থা। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, সরকার অনুদানের ব্যবস্থা রাখছে, কিন্তু তা কারও উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে না।

বড় বাজেটের পুজো কমিটিগুলির কাছে তাঁর আবেদন, তারা যেন নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী সরকারি অনুদান না নেয়। একই সঙ্গে যেসব পুজো কমিটির সত্যিই আর্থিক সাহায্য প্রয়োজন, তাদের জন্য এক লক্ষ টাকার সহায়তার পথ খোলা থাকছে।

অর্থাৎ, সরকারি সাহায্য নেওয়া বা না নেওয়া, দুটো সিদ্ধান্তই এবার পুজো কমিটিগুলির নিজেদের হাতে।

দুর্গাপুজোকে সামনে রেখে সরকারের এই ঘোষণায় একদিকে যেমন আর্থিকভাবে দুর্বল পুজো কমিটিগুলির জন্য সহায়তার সুযোগ থাকছে, তেমনই প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা কর্মীদের পরিশ্রমের স্বীকৃতি দেওয়ার কথাও সামনে এসেছে।

শেষে মুখ্যমন্ত্রী সকলকে শুভ দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান এবং উৎসবকে কেন্দ্র করে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

Swastika Paul
Swastika Paulhttps://swastikapaul.in/
Swastika Paul is a distinguished innovator, educator, and the Principal of Tehatta Government ITI. Holding an M.Tech in Communication Engineering, she is dedicated to bridging the digital divide in rural India through technical skill development and inclusive leadership. A recognized voice in grassroots innovation, Swastika was honored with the "Principal of the Year" award at the Asia Education Conclave 2025. Beyond academia, she is the Co-founder of SD ONUPRON GROUP, where she has spent over 6 years curating impactful content on education, technology, and social awareness. Her dual expertise in engineering and digital media makes her a trusted authority in the evolving landscape of Indian technical education and social entrepreneurship.

Read more

Local News