সম্পাদনা সংক্রান্ত ঘোষণা: West Bengal Times প্রকাশের আগে সরকারি ওয়েবসাইট, সরকারি বিজ্ঞপ্তি এবং নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে। পাঠকদের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে আমাদের টিম স্বাধীন গবেষণা ও বিশ্লেষণও করে থাকে। তবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের চূড়ান্ত নিশ্চিতকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে পুনরায় যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
বকরিদ উপলক্ষে কুরবানি নিয়ে নতুন করে আইনি বিতর্ক শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক আখরুজ্জামান কলকাতা হাই কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা (PIL) দায়ের করেছেন। ওই আবেদনে তিনি দাবি করেছেন যে, West Bengal Animal Slaughter Control Act, 1950-এর ধারা ১২ অনুযায়ী বকরিদের সময় নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ছাড় (Exemption) দেওয়া হোক।
আদালতে জমা দেওয়া নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১৩ মে ২০২৬ তারিখে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তর একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করে, যেখানে West Bengal Animal Slaughter Control Act, 1950 অনুযায়ী পশু জবাই সংক্রান্ত নির্দেশ জারি করা হয়েছিল।
আবেদনকারীর দাবি, বকরিদ মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব এবং ইসলামিক প্রথা অনুযায়ী কুরবানি ধর্মীয় গুরুত্ব বহন করে। নথিতে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু বড় পশু যেমন ষাঁড় বা মহিষ বহু মানুষের মধ্যে ভাগ করে কুরবানি করা যায়, যা তুলনামূলকভাবে অর্থনৈতিকভাবে সুবিধাজনক।
মামলায় আরও বলা হয়েছে যে, আবেদনকারী ১৬ মে রাজ্য সরকারের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক আবেদনও পাঠিয়েছিলেন। তবে সেই আবেদনের কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে।
PIL-এ কী দাবি করা হয়েছে?
আবেদনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তোলা হয়েছে:
- বকরিদ উপলক্ষে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ধারা ১২ অনুযায়ী ছাড় প্রদান
- ১৩ মে জারি করা সরকারি নির্দেশিকার পুনর্বিবেচনা
- আবেদনকারীর পাঠানো প্রতিনিধিত্বের উপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ
- বিষয়টি নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ
সরকারের অবস্থান কী?
নথিতে সরকারের চূড়ান্ত অবস্থান বা আদালতের কোনও রায় এখনও উল্লেখ নেই। এটি বর্তমানে আদালতে দায়ের হওয়া একটি আবেদন মাত্র। আদালতের শুনানি ও পরবর্তী সিদ্ধান্তের উপর বিষয়টির ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
এই মামলাটি চলমান আইনি প্রক্রিয়ার অংশ। আদালত এখনও কোনও চূড়ান্ত রায় দেয়নি। ফলে আবেদনপত্রে উল্লিখিত দাবিগুলোকে আদালতের সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা উচিত নয়। এগুলো আবেদনকারীর বক্তব্য ও আইনি যুক্তির অংশ।
