সম্পাদনা সংক্রান্ত ঘোষণা: West Bengal Times প্রকাশের আগে সরকারি ওয়েবসাইট, সরকারি বিজ্ঞপ্তি এবং নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে। পাঠকদের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে আমাদের টিম স্বাধীন গবেষণা ও বিশ্লেষণও করে থাকে। তবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের চূড়ান্ত নিশ্চিতকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে পুনরায় যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
বিমানবন্দরে ফের বোমাতঙ্ক ঘিরে ছড়াল উদ্বেগ। শুক্রবার সকালে বিমানবন্দরের মহিলা শৌচাগারের ভিতরে একটি সন্দেহজনক চিরকুট দেখতে পান সাফাইকর্মীরা। ওই চিরকুটে লেখা ছিল, ‘৩০ নম্বর গেটে বোমা রাখা আছে।’ চিরকুটটি সামনে আসতেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে বিমানবন্দর থানা, সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (CISF) এবং বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াডকে খবর দেওয়া হয়। এরপর ৩০ নম্বর গেট-সহ বিমানবন্দরের বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু হয়।
মহিলা শৌচাগারে মিলল সন্দেহজনক চিরকুট
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে বিমানবন্দরের মহিলা ওয়াশরুমে পরিষ্কারের কাজ করার সময় একটি চিরকুট দেখতে পান সাফাইকর্মীরা। চিরকুটে ৩০ নম্বর গেটে বোমা রাখা থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।
বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকায় এমন বার্তা সামনে আসায় স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। বিষয়টি দ্রুত সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা আধিকারিকদের জানানো হয়।
তল্লাশিতে নামল পুলিশ ও CISF
চিরকুটের খবর পাওয়ার পর বিমানবন্দর থানা, CISF এবং বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াডকে সতর্ক করা হয়। এরপর ৩০ নম্বর গেটকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিমানবন্দর চত্বরে তল্লাশি চালানো হয়।
যাত্রী, বিমানবন্দরের কর্মী এবং অন্যান্য মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সন্দেহজনক কোনও বস্তু রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হয়।
প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তল্লাশিতে এখনও পর্যন্ত কোনও সন্দেহজনক বস্তু মেলেনি বলে বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে তল্লাশি অভিযানের চূড়ান্ত ফলাফল এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
চলতি মাসে ফের বোমাতঙ্ক, বাড়ছে উদ্বেগ
চলতি মাসের ৮ তারিখের ঘটনার পর ফের বোমাতঙ্কের খবর সামনে আসায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিমানবন্দরে বোমা রাখার মতো হুমকিকে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখে। হুমকির সত্যতা প্রমাণিত না হলেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তল্লাশি চালানো হয়। এর মাধ্যমে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সম্ভাব্য বিপদ এড়ানোর চেষ্টা করা হয়।
তবে চলতি মাসের ৮ তারিখের ঘটনার সঙ্গে শুক্রবারের ঘটনার কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।
কে রাখল চিরকুট? তদন্তে কী উঠে আসে, এখন নজর সেদিকে
মহিলা শৌচাগারে চিরকুটটি কে বা কারা রেখে গিয়েছে, কেন এমন হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং এটি নিছক ভয় দেখানোর চেষ্টা কি না, সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়।
ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং তদন্তের চূড়ান্ত ফলাফল জানা গেলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।
প্রকাশের আগে গুরুত্বপূর্ণ: ঘটনাটি কলকাতা বিমানবন্দরে ঘটেছে কি না, ৮ তারিখের আগের ঘটনার বিবরণ এবং তল্লাশি অভিযানের চূড়ান্ত ফলাফল সরকারি বা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে যাচাই করে নিন। নিশ্চিত তথ্য ছাড়া বিমানবন্দর বন্ধ, বিস্ফোরক উদ্ধার বা কাউকে গ্রেফতারের দাবি করা উচিত নয়।
