কলকাতার ১০টি নজরকাড়া দুর্গাপুজো প্যান্ডেল ২০২৬ | প্যান্ডেলের Google Map লোকেশন, থিম, বাজেট ও বিশেষ আকর্ষণ একনজরে

সম্পাদনা সংক্রান্ত ঘোষণা: West Bengal Times প্রকাশের আগে সরকারি ওয়েবসাইট, সরকারি বিজ্ঞপ্তি এবং নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে। পাঠকদের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে আমাদের টিম স্বাধীন গবেষণা ও বিশ্লেষণও করে থাকে। তবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের চূড়ান্ত নিশ্চিতকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে পুনরায় যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

WhatsApp Group
Join Now

Best Durga Puja Pandals in Kolkata 2026 (Top 10): কলকাতার দুর্গাপুজো মানেই শুধু দেবী দর্শন নয়, শিল্প, স্থাপত্য, সৃজনশীলতা এবং বাঙালির আবেগের এক অনন্য মেলবন্ধন। প্রতি বছর শহরের বিভিন্ন প্রান্তে তৈরি হয় অভিনব থিমের পুজোমণ্ডপ। কোথাও উঠে আসে ভারতের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য, কোথাও স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস, আবার কোথাও আধুনিক শিল্পকলার মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয় নতুন ভাবনা।

২০২৬ সালের দুর্গাপুজোতেও কলকাতা ও তার আশপাশের বেশ কয়েকটি পুজোমণ্ডপ বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রে রয়েছে। হাওয়া মহলের আদলে তৈরি মণ্ডপ থেকে শুরু করে সোমনাথ মন্দিরের স্থাপত্য, পদ্মফুলের নকশা এবং ‘বন্দে মাতরম’ ভাবনা, দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে নানা ধরনের অভিজ্ঞতা।

এই প্রতিবেদনে দেখে নেওয়া যাক, আলোচনায় থাকা ১০টি দুর্গাপুজোর থিম, সম্ভাব্য বাজেট এবং বিশেষ আকর্ষণ।

Google
Add West Bengal Times যুক্ত করুন গুগল-এ পছন্দের উৎস হিসেবে
Add Preference

১. সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার: ‘বন্দে মাতরম’ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতি (Best Durga Puja Pandals in Kolkata)

কলকাতার লেবুতলা-বউবাজার এলাকার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজো প্রতি বছরই বিশেষ আলোচনায় থাকে। ২০২৬ সালে এই পুজোর মূল ভাবনা ‘সনাতনী চেতনায় বন্দে মাতরম’। ভারতের জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তিকে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছে এবারের ভাবনা।

মণ্ডপের পরিকল্পনায় লালকেল্লার আদল, স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতি এবং ১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময়কার পরিস্থিতিকে তুলে ধরার কথা রয়েছে। দেশভাগের সময়কার ট্রেনের দৃশ্যও এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ। পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য আলো ও শব্দের বিশেষ প্রদর্শনীর পরিকল্পনাও রয়েছে।

এই পুজোর ক্ষেত্রে মণ্ডপের সাজসজ্জা এবং দেবীপ্রতিমার অলংকারের খরচ আলাদা করে বিবেচনা করা জরুরি। বিভিন্ন প্রতিবেদনে সোনার প্রতিমা ও সাজসজ্জা নিয়ে বড় অঙ্কের বাজেটের কথা বলা হলেও, মোট খরচের নির্ভরযোগ্য হিসাব নিশ্চিত না করে নির্দিষ্ট অঙ্ককে চূড়ান্ত বলে ধরা উচিত নয়।

সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার: লেবুতলা, বউবাজার, মধ্য কলকাতা

Google Maps-এ লোকেশন দেখুন

২. শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব: কলকাতায় রাজস্থানের হাওয়া মহল

লেকটাউন এলাকার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের দুর্গাপুজো তার বিশাল মণ্ডপ এবং অভিনব স্থাপত্যের জন্য পরিচিত। ২০২৬ সালে এই পুজোর প্রধান আকর্ষণ রাজস্থানের জয়পুরের বিখ্যাত হাওয়া মহলের আদলে তৈরি মণ্ডপ।

গোলাপি ও হলুদ বেলেপাথরের স্থাপত্যশৈলী, অসংখ্য জানালার নকশা এবং রাজকীয় সৌন্দর্য দর্শনার্থীদের সামনে রাজস্থানের ঐতিহ্যকে তুলে ধরবে। হাওয়া মহলের পরিচিত মৌচাকের মতো জানালার বিন্যাস এই থিমের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

বড় মণ্ডপ, বিস্তারিত কারুকাজ এবং আলোকসজ্জার কারণে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের পুজো ২০২৬ সালের অন্যতম আলোচিত আকর্ষণ। তবে মণ্ডপের খরচ ও দেবীপ্রতিমার অলংকারের মূল্য এক বিষয় নয়। এই দুইয়ের বাজেট আলাদা করে যাচাই করা প্রয়োজন।

শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব: লেকটাউন, উত্তর-পূর্ব কলকাতা

Google Maps-এ লোকেশন দেখুন

৩. কল্যাণী আইটিআই মোড় লুমিনাস ক্লাব: মায়ানমারের প্যাগোডার আদলে মণ্ডপ

কলকাতার বাইরেও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বড় বাজেটের দুর্গাপুজো দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে। নদিয়া জেলার কল্যাণী আইটিআই মোড়ের লুমিনাস ক্লাবের পুজো তার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই পুজোর থিম মায়ানমারের বিখ্যাত শ্বেদাগন প্যাগোডার স্থাপত্য থেকে অনুপ্রাণিত। মণ্ডপটির উচ্চতা প্রায় ২০০ ফুট বলে দাবি করা হয়েছে। বাঁশের মতো প্রাকৃতিক উপকরণ ব্যবহার করে এত বড় কাঠামো তৈরি করার পরিকল্পনাও এই পুজোর বিশেষ আকর্ষণ।

এই ধরনের মণ্ডপ নির্মাণে শিল্পীদের পাশাপাশি বাঁশের কারিগর, কাঠামো নির্মাণের কর্মী, আলোকশিল্পী এবং অন্যান্য শ্রমিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে।

তবে ২০০ ফুট উচ্চতা, এক লক্ষের বেশি বাঁশের ব্যবহার এবং ১৫ কোটি টাকার বাজেটের মতো তথ্য পুজো কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা থেকে যাচাই করে নেওয়া উচিত।

কল্যাণী আইটিআই মোড় লুমিনাস ক্লাব: আইটিআই মোড়, ব্লক বি-৯, কল্যাণী, নদিয়া

Google Maps-এ লোকেশন দেখুন

৪. একডালিয়া এভারগ্রিন: সোমনাথ মন্দিরের স্থাপত্য

দক্ষিণ কলকাতার একডালিয়া এভারগ্রিন অন্যতম পরিচিত দুর্গাপুজো। ঐতিহ্যবাহী প্রতিমা এবং বৃহৎ মণ্ডপসজ্জার জন্য এই পুজোর বিশেষ পরিচিতি রয়েছে।

২০২৬ সালের জন্য দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই পুজোর থিম গুজরাটের সোমনাথ মন্দিরকে কেন্দ্র করে। মন্দিরের স্থাপত্য, বিশাল ঝাড়বাতি এবং ঐতিহ্যবাহী ভাস্কর্যশৈলীর সমন্বয়ে দর্শনার্থীদের সামনে একটি রাজকীয় পরিবেশ তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মণ্ডপের বাজেট প্রায় ১.২ কোটি টাকা হতে পারে। তবে এটি নিশ্চিত হিসাব নয়। চূড়ান্ত বাজেট জানতে পুজো কমিটির ঘোষণার ওপর নির্ভর করা উচিত।

একডালিয়া এভারগ্রিন: গড়িয়াহাট, দক্ষিণ কলকাতা

Google Maps-এ লোকেশন দেখুন

৫. নিউ আলিপুর সুরুচি সংঘ: পদ্মফুলের সৌন্দর্য

দক্ষিণ কলকাতার সুরুচি সংঘের দুর্গাপুজো প্রতি বছরই অভিনব থিম এবং শৈল্পিক মণ্ডপের জন্য পরিচিত। ২০২৬ সালে এই পুজোর মূল ভাবনা পদ্মফুল।

পদ্ম ভারতীয় সংস্কৃতি, সৌন্দর্য এবং পবিত্রতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। সেই ফুলের আকৃতি, পাপড়ির বিন্যাস এবং নান্দনিক রংকে কাজে লাগিয়ে মণ্ডপসজ্জায় বিশেষ পরিবেশ তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, মণ্ডপ নির্মাণে প্রায় ১.৫ কোটি টাকা খরচ হতে পারে। তবে এই অঙ্ককে আনুমানিক হিসাব হিসেবেই দেখা উচিত।

যাঁরা পুজোর সময় দক্ষিণ কলকাতার একাধিক মণ্ডপ ঘুরে দেখতে চান, তাঁদের তালিকায় সুরুচি সংঘকে রাখা যেতে পারে।

নিউ আলিপুর সুরুচি সংঘ: স্টেশন রোড, নিউ আলিপুর, কলকাতা ৭০০০৫৩

Google Maps-এ লোকেশন দেখুন

৬. টালা প্রত্যয়: ‘বিয়োজন’ ভাবনায় আধুনিক শিল্পকলা

উত্তর কলকাতার টালা প্রত্যয় তার ব্যতিক্রমী থিম এবং আধুনিক শিল্পভাবনার জন্য পরিচিত। ২০২৬ সালের থিম ‘বিয়োজন’। নাম থেকেই বোঝা যায়, এই ভাবনার কেন্দ্রে রয়েছে বিচ্ছিন্নতা, দূরত্ব এবং সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে ভাবনা।

মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে পরিচিত বিষয়কে নতুন দৃষ্টিতে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রচলিত ধর্মীয় স্থাপত্যের অনুকরণ না করে শিল্প, নকশা এবং প্রতীকী উপস্থাপনার মাধ্যমে দর্শনার্থীদের ভাবনার জগতে পৌঁছনোই এই ধরনের থিমের বিশেষত্ব।

প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এই পুজোর বাজেট প্রায় ১.৫ কোটি টাকা হতে পারে। তবে এই অঙ্কও আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

টালা প্রত্যয়: টালা, উত্তর কলকাতা

Google Maps-এ লোকেশন দেখুন

৭. আলিপুর সার্বজনীন: রামায়ণ ও মহাকাব্যের কাহিনি

দক্ষিণ কলকাতার আলিপুর এলাকার আলিপুর সার্বজনীন দুর্গাপুজো ২০২৬ সালে মহাকাব্যনির্ভর ভাবনায় দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করার চেষ্টা করছে।

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, এই পুজোর থিম রামায়ণ ও মহাকাব্যের কাহিনিকে কেন্দ্র করে। রামায়ণের বিভিন্ন ঘটনা, চরিত্র এবং সাংস্কৃতিক তাৎপর্যকে মণ্ডপের শিল্পকর্মের মাধ্যমে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।

মহাকাব্যভিত্তিক থিমের বিশেষত্ব হল, দর্শনার্থীরা শুধু প্রতিমা দর্শন করেন না, পাশাপাশি পরিচিত কাহিনির বিভিন্ন দিকও নতুনভাবে দেখার সুযোগ পান।

এই পুজোর সম্ভাব্য বাজেট প্রায় ১ কোটি টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত ব্যয়ের তথ্য নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এটিকে আনুমানিক হিসাব হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত।

আলিপুর সার্বজনীন: আলিপুর, দক্ষিণ কলকাতা

Google Maps-এ লোকেশন দেখুন

৮. রাজডাঙা নব উদয় সংঘ: ‘অ্যাভাটার’-এর অনুপ্রেরণায় কল্পনার জগৎ

দক্ষিণ কলকাতার রাজডাঙা নব উদয় সংঘের পুজোর বিশেষ আকর্ষণ হল আধুনিক কল্পবিজ্ঞান ও চলচ্চিত্র থেকে অনুপ্রাণিত মণ্ডপসজ্জা।

২০২৬ সালের জন্য দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই পুজোর থিম ‘অ্যাভাটার’ চলচ্চিত্রের জগৎ থেকে অনুপ্রাণিত। ভবিষ্যৎ পৃথিবী, অদ্ভুত গাছের মতো কাঠামো এবং প্রকৃতির সঙ্গে প্রযুক্তির মেলবন্ধনকে কেন্দ্র করে একটি কল্পনাময় পরিবেশ তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এই ধরনের থিম তরুণ দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয় হতে পারে। পাশাপাশি আলো, রং এবং ত্রিমাত্রিক নকশার ব্যবহারে মণ্ডপটি হয়ে উঠতে পারে ছবি তোলার অন্যতম জনপ্রিয় জায়গা।

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, পুজোর সম্ভাব্য বাজেট প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা।

রাজডাঙা নব উদয় সংঘ: রাজডাঙা, কসবা, দক্ষিণ-পূর্ব কলকাতা

Google Maps-এ লোকেশন দেখুন

আরও পড়ুন: দুর্গাপুজোয় কলকাতা মেট্রোর বিশেষ সময়সূচি ২০২৬ | পঞ্চমী থেকে দশমী প্রকাশ্যে বিশেষ সময়সূচি, কোন লাইনে শেষ ট্রেন কখন

৯. বালিগঞ্জ সমাজসেবী সংঘ: উত্তম কুমারের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য (Best Durga Puja Pandals in Kolkata)

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা উত্তম কুমারের স্মৃতিকে কেন্দ্র করে ২০২৬ সালের দুর্গাপুজোয় বিশেষ ভাবনা তুলে ধরছে বালিগঞ্জ সমাজসেবী সংঘ।

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, এই পুজোর থিম মহানায়ক উত্তম কুমারকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানো। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তাঁর অবদান, জনপ্রিয়তা এবং বাঙালির সাংস্কৃতিক জীবনে তাঁর প্রভাবকে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।

এই থিমের মাধ্যমে দর্শনার্থীরা দুর্গাপুজোর আনন্দের পাশাপাশি বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগের স্মৃতিও ফিরে দেখতে পারবেন।

প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, পুজোর বাজেট প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা হতে পারে। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া এই অঙ্ককে নিশ্চিত বলা যাবে না।

বালিগঞ্জ সমাজসেবী সংঘ: বালিগঞ্জ, দক্ষিণ কলকাতা

Google Maps-এ লোকেশন দেখুন

১০. মানিকতলা চালতাবাগান লোহাপট্টি: ঐতিহ্য ও ধর্মীয় ভাবনার মেলবন্ধন

উত্তর ও মধ্য কলকাতার পরিচিত পুজোগুলির মধ্যে মানিকতলা চালতাবাগান লোহাপট্টির নাম উল্লেখযোগ্য। ২০২৬ সালের থিম সম্পর্কে প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, এখানে ‘নিশান দ্য মার্গ’ নামে একটি ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে, যার সঙ্গে রামনামী সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যকে যুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ধর্মীয় বিশ্বাস, সামাজিক সংস্কৃতি এবং লোকজ ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে তৈরি থিমের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের সামনে একটি ভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই পুজোর সম্ভাব্য বাজেট প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা। তবে থিমের নামের সঠিক বানান, তার ব্যাখ্যা এবং বাজেট পুজো কমিটির কাছ থেকে যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।

মানিকতলা চালতাবাগান লোহাপট্টি: মানিকতলা, উত্তর-মধ্য কলকাতা

Google Maps-এ লোকেশন দেখুন

Best Durga Puja Pandals in Kolkata: দুর্গাপুজো শুধু উৎসব নয়, বড় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও 

কলকাতার দুর্গাপুজোর অন্যতম বড় দিক হল এর সঙ্গে যুক্ত বিপুল কর্মসংস্থান। একটি বড় পুজোমণ্ডপ তৈরি করতে শিল্পী, মৃৎশিল্পী, বাঁশের কারিগর, কাঠমিস্ত্রি, বৈদ্যুতিক কর্মী, আলোকশিল্পী, চিত্রকর এবং বিভিন্ন নির্মাণকর্মীর প্রয়োজন হয়।

পুজোর সময় খাবারের দোকান, পোশাকের ব্যবসা, পরিবহণ, হোটেল, ছোট ব্যবসা এবং পর্যটন পরিষেবাতেও বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়। ফলে দুর্গাপুজোর অর্থনৈতিক প্রভাব শুধু পুজো কমিটির বাজেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না।

বড় পুজোগুলিতে স্পনসরশিপ, বিজ্ঞাপন, অনুদান এবং স্থানীয় ব্যবসার অংশগ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে বহু ছোট শিল্পী ও অস্থায়ী কর্মী এই সময়ে কাজের সুযোগ পান।

তবে কলকাতার সব পুজোর মোট ব্যয় কয়েক হাজার কোটি টাকা বলে নির্দিষ্ট দাবি করতে হলে নির্ভরযোগ্য অর্থনৈতিক সমীক্ষা বা প্রামাণ্য হিসাব প্রয়োজন। পুজোর অর্থনৈতিক গুরুত্ব যে অনেক বড়, তা স্পষ্ট হলেও মোট অঙ্কটি নির্দিষ্টভাবে বলা সহজ নয়।

২০২৬ সালের দুর্গাপুজোয় কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় ঐতিহ্য, ইতিহাস, স্থাপত্য এবং আধুনিক শিল্পকলার নানা ধরনের মেলবন্ধন দেখা যাচ্ছে। শ্রীভূমির হাওয়া মহল, সুরুচি সংঘের পদ্মফুল, টালা প্রত্যয়ের ‘বিয়োজন’ এবং সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের ‘বন্দে মাতরম’ ভাবনা, প্রতিটি পুজোর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

তবে মণ্ডপের বাজেট, উদ্বোধনের সময় এবং প্রতিমার অলংকারের মূল্য সম্পর্কে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তাই পুজো দেখতে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট পুজো কমিটির সর্বশেষ ঘোষণা দেখে নেওয়াই ভালো।

আপনার মতে, ২০২৬ সালে কলকাতার কোন দুর্গাপুজোর থিম সবচেয়ে আকর্ষণীয়? আপনার পছন্দের পুজোর নাম কমেন্টে জানাতে পারেন।

Swastika Paul
Swastika Paulhttps://swastikapaul.in/
Swastika Paul is a distinguished innovator, educator, and the Ex-Principal of Tehatta Government ITI. Holding an M.Tech in Communication Engineering, she is dedicated to bridging the digital divide in rural India through technical skill development and inclusive leadership. A recognized voice in grassroots innovation, Swastika was honored with the "Principal of the Year" award at the Asia Education Conclave 2025. Beyond academia, she is the Co-founder of SD ONUPRON GROUP, where she has spent over 6 years curating impactful content on education, technology, and social awareness. Her dual expertise in engineering and digital media makes her a trusted authority in the evolving landscape of Indian technical education and social entrepreneurship.

Table of contents [hide]

Read more

Local News